D.EL.Ed. CPS-01 Bengali Important Questions ( MCQ, 2 Marks, 7 Marks & 16 Marks)

D.EL.Ed. CPS-01 Bengali Important Questions ( MCQ, 2 Marks, 7 Marks & 16 Marks)

G Success for Better Future
0

 

CPS -01 (Bengali)
MCQ questions 

বাংলা ভাষা শিক্ষার প্রধান সহায়ক উপকরণ কোনটি?
ক) ছবি
খ) স্লেট
গ) ক্রিকেট ব্যাট
ঘ) বল
  • উত্তর: ক) ছবি
নিরব পাঠ কী?
ক) উচ্চস্বরে পাঠ্য পড়া
খ) মনে মনে পড়া
গ) ক্লাসে প্রশ্ন করা
ঘ) আবৃত্তি করা
  • উত্তর: খ) মনে মনে পড়া
মাতৃ ভাষা শিখার অন্যতম উদ্দেশ্য কী?
ক) ইংরেজি শেখা
খ) মানসিক বিকাশ
গ) গাণিতিক দক্ষতা
ঘ) খেলাধুলা শেখা
  • উত্তর: খ) মানসিক বিকাশ
বর্ণানুক্রমিক পদ্ধতিতে কী শেখানো হয়?
ক) সম্পূর্ণ বাক্য
খ) শব্দ
গ) অক্ষর
ঘ) ছবি
  • উত্তর: গ) অক্ষর
বহুমূল্যায়ন কাকে বলে?
ক) শিক্ষক দ্বারা ক্লাসে পরীক্ষা
খ) শিক্ষার্থীদের দ্বারা পরীক্ষা
গ) বোর্ড দ্বারা অনুষ্ঠিত পরীক্ষা
ঘ) অনলাইনে পাঠ
  • উত্তর: গ) বোর্ড দ্বারা অনুষ্ঠিত পরীক্ষা
বাংলা ভাষার বানান ভুলের প্রধান কারণ কোনটি?
ক) বেশী অনুশীলন
খ) ধ্বনিগত জটিলতা
গ) পরিচ্ছন্নতা
ঘ) পাঠ্যপুস্তক
  • উত্তর: খ) ধ্বনিগত জটিলতা
হাতের লেখা বিকাশে কী সহায়ক?
ক) অনুশীলন
খ) ভিডিও দেখা
গ) শুধুমাত্র শোনা
ঘ) হাঁটা
  • উত্তর: ক) অনুশীলন
ব্যাকরণ শিক্ষার উদ্দেশ্য কী?
ক) খেলাধুলার উন্নতি
খ) সঠিক বাক্য গঠন
গ) ছবি আঁকা
ঘ) গল্প লেখা
  • উত্তর: খ) সঠিক বাক্য গঠন
চার্ট কোন ধরনের উপকরণ?
ক) সহায়ক
খ) ক্ষতিকারক
গ) বাধা সৃষ্টি করে
ঘ) অপ্রয়োজনীয়
  • উত্তর: ক) সহায়ক
ব্যাকরণ শেখানো আকর্ষণীয় করার জন্য কোন পদ্ধতি উপযুক্ত?
ক) গল্প-ছড়া
খ) শাস্তি
গ) নীরব পাঠ
ঘ) শুধু অনুশীলন
  • উত্তর: ক) গল্প-ছড়া
ভাষা শিক্ষায় শব্দ কার্ডের ব্যবহার কী?
ক) শব্দ শেখা সহজ করে
খ) অপ্রয়োজনীয়
গ) কঠিন করে
ঘ) উচ্চারণ ছোট
  • উত্তর: ক) শব্দ শেখা সহজ করে
সরব পাঠের সুবিধা কী?
ক) উচ্চারণ উন্নত হয়
খ) কানে বাজে শব্দ হয়
গ) পড়া ধীর
ঘ) সময় নষ্ট
  • উত্তর: ক) উচ্চারণ উন্নত হয়
নিরব পাঠের অসুবিধা কী?
ক) উচ্চারণ ব্যবধান
খ) শব্দভান্ডার বাড়ে
গ) দ্রুত পড়া যায়
ঘ) অর্থ স্পষ্ট হয়
  • উত্তর: ক) উচ্চারণ ব্যবধান
বাংলা ব্যাকরণ কী?
ক) ভাষার নিয়ম
খ) ছবি আঁকার নিয়ম
গ) গান শেখা
ঘ) সংখ্যা গননা
  • উত্তর: ক) ভাষার নিয়ম
উপকরণ ব্যবহারে পরিবেশ কেমন হওয়া উচিত?
ক) শীতল
খ) আনন্দময় এবং উদ্দীপক
গ) গম্ভীর
ঘ) নীরব
  • উত্তর: খ) আনন্দময় এবং উদ্দীপক
অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন কোনটি?
ক) ক্লাসরুম ভিত্তিক মূল্যায়ন
খ) বোর্ড দ্বারা পরীক্ষা
গ) পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন
ঘ) বিদ্যালয় ছাড়াই মূল্যায়ন
  • উত্তর: ক) ক্লাসরুম ভিত্তিক মূল্যায়ন
“বর্ণানুক্রমিক পদ্ধতির” মূল বৈশিষ্ট্য কী?
ক) শব্দ শেখানো
খ) অক্ষর শেখানো
গ) বাক্য শেখানো
ঘ) গল্প পড়ানো
  • উত্তর: খ) অক্ষর শেখানো
বাংলা বানান ভুল কমাতে কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত?
ক) বানান চর্চা করা
খ) উপেক্ষা করা
গ) গল্প পড়া
ঘ) গেম খেলা
  • উত্তর: ক) বানান চর্চা করা
সহজ ভাষা শিক্ষার জন্য কোনটি উপকারী?
ক) চিত্তাকর্ষক উদাহরণ
খ) কঠিন গল্প
গ) সংক্ষিপ্ত অনুশীলন
ঘ) বোঝাপড়া কম
  • উত্তর: ক) চিত্তাকর্ষক উদাহরণ
শব্দানুক্রমিক পদ্ধতিতে শেখানো হয়—
ক) শব্দ
খ) অক্ষর
গ) বর্ণ
ঘ) সংখ্যা
  • উত্তর: ক) শব্দ
বাংলা ভাষা শিক্ষা কেন জরুরি?
ক) যোগাযোগ দক্ষতা বাড়াতে
খ) খেলাধুলা উন্নত করতে
গ) ছবি আঁকতে
ঘ) নীরবতা বজায় রাখতে
  • উত্তর: ক) যোগাযোগ দক্ষতা বাড়াতে
প্রাথমিক স্তরে মাতৃ ভাষায় পাঠ্যপুস্তক ব্যবহারের কারণ?
ক) সহজে বোঝা যায়
খ) কঠিন
গ) বহুল প্রয়োজনীয় নয়
ঘ) দীর্ঘ সময় নেয়
  • উত্তর: ক) সহজে বোঝা যায়
ব্যাকরণ শিক্ষার সমস্যার একটি কোনটি?
ক) একঘেয়েমি
খ) উত্তেজনা
গ) আগ্রহ বৃদ্ধি
ঘ) সহজে বোঝা
  • উত্তর: ক) একঘেয়েমি
ভাষা শিক্ষায় অডিও-ভিজ্যুয়াল উপকরণের ব্যবহার কী?
ক) উচ্চারণ উন্নত করে
খ) স্পষ্টতা কমে
গ) সমস্যা বাড়ে
ঘ) জটিলতা বাড়ে
  • উত্তর: ক) উচ্চারণ উন্নত করে
উপকরণের মধ্যে কোনটি শ্রুতিশিক্ষার জন্য উপযোগী?
ক) অডিও রেকর্ডিং
খ) ছবি
গ) বোর্ড
ঘ) ম্যাগাজিন
  • উত্তর: ক) অডিও রেকর্ডিং
বাংলা ভাষার মৌলিক উপকরণ কোনটি?
ক) অক্ষর
খ) ছবি
গ) গল্প
ঘ) ম্যাপ
  • উত্তর: ক) অক্ষর
আনুষ্ঠানিক মূল্যায়নের উদাহরণ?
ক) বোর্ড পরীক্ষা
খ) ক্লাসে মূল্যায়ন
গ) ছাত্রছাত্রীদের ইচ্ছেমতো পরীক্ষা
ঘ) বন্ধুদের দ্বারা মূল্যায়ন
  • উত্তর: ক) বোর্ড পরীক্ষা
ছাত্র ছাত্রীদের ভাষা দক্ষতা বাড়াতে কী দরকার?
ক) অনুশীলন ও চর্চা
খ) বিশ্রাম
গ) গল্প পড়া
ঘ) সংখ্যা শেখা
  • উত্তর: ক) অনুশীলন ও চর্চা
ব্যাকরণ শিক্ষাদানে আকর্ষণীয় পদ্ধতিতে কোনটি অন্যতম?
ক) খেলা-নির্ভর শিক্ষা
খ) ধমক
গ) কঠিন কথা
ঘ) নীরবতা
  • উত্তর: ক) খেলা-নির্ভর শিক্ষা
মাতৃ ভাষা শিক্ষা কেন অপরিহার্য?
ক) সাংস্কৃতিক বিকাশ ও নিজের পরিচয় জানার জন্য
খ) আঁকা শেখার জন্য
গ) সংখ্যা বাড়ানোর জন্য
ঘ) খেলাধুলা করার জন্য
  • উত্তর: ক) সাংস্কৃতিক বিকাশ ও নিজের পরিচয় জানার জন্য

2 Marks Questions 

1. হাতের লেখা শিক্ষা দানের বিকাশের প্রধান দিকগুলি কী কী?
হাতের লেখা শিক্ষা দানের বিকাশে প্রধান দিকগুলি হল:শিক্ষার প্রাথমিক স্তর: শিশুদের জন্য সঠিক পদ্ধতি এবং উপকরণ ব্যবহার করা।
মোটর দক্ষতা: হাতের লেখা শেখার মাধ্যমে শিশুদের হাতের পেশী এবং সমন্বয় উন্নত হয়।
সৃজনশীলতা: বিভিন্ন স্টাইল এবং ফন্ট ব্যবহার করে লেখাকে আকর্ষণীয় করা।
শিক্ষার প্রভাব: ভাষা এবং লেখার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি।
প্রযুক্তির প্রভাব: ডিজিটাল লেখার পদ্ধতি এবং ট্যাবলেটের ব্যবহার।
2. ভাষা শিক্ষার সহায়ক উপকরণগুলি কী? তাদের ব্যবহারিক দিকগুলি আলোচনা করুন।
ভাষা শিক্ষার সহায়ক উপকরণগুলি হল:ছবি ও চার্ট: শিক্ষার্থীদের জন্য দৃশ্যমান উপস্থাপনা প্রদান করে, যা শেখার প্রক্রিয়াকে সহজ করে।
ভিডিও ও অডিও ক্লিপ: শ্রবণ এবং বোঝার দক্ষতা উন্নত করে।
ব্যবহারিক দিক: ছবি ও চার্ট শিক্ষার্থীদের নতুন শব্দ শিখতে সাহায্য করে, এবং ভিডিও শিক্ষার্থীদের ভাষার সঠিক উচ্চারণ শেখায়।
3. প্রাথমিক স্তরে মাতৃ ভাষার উদ্দেশ্য কী?
প্রাথমিক স্তরে মাতৃ ভাষার উদ্দেশ্য হল:ভাষার ভিত্তি: মৌলিক ভাষা দক্ষতা তৈরি করা।
সাংস্কৃতিক পরিচয়: সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও মূল্যবোধ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি।
শিক্ষার প্রভাব: অন্যান্য বিষয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো।
সামাজিক দক্ষতা: ভাবনা ও অনুভূতি প্রকাশের ক্ষমতা বৃদ্ধি।
4. বাংলা ভাষা শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে বর্ণানুক্রমিক পদ্ধতির গুরুত্ব কী?
বর্ণানুক্রমিক পদ্ধতির গুরুত্ব হল:ভাষার মৌলিকতা: শিক্ষার্থীদের বর্ণের সঠিক উচ্চারণ ও লেখার দক্ষতা প্রদান।
শব্দ গঠন: শব্দ গঠন ও বানান শেখার জন্য শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি।
5. শব্দআনুক্রমিক পদ্ধতির উদ্দেশ্য কী এবং এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?
শব্দআনুক্রমিক পদ্ধতির উদ্দেশ্য হল:শব্দের অর্থ: শিক্ষার্থীদের শব্দের অর্থ ও ব্যবহার শেখানো।
যোগাযোগের দক্ষতা: ভাষার প্রয়োগে দক্ষতা বৃদ্ধি করে।
6. সরব পাঠ ও নিরব পাঠের মধ্যে পার্থক্য কী?
সরব পাঠ: শিক্ষার্থীরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে, আলোচনা করে এবং প্রশ্ন করে।
নিরব পাঠ: শিক্ষার্থীরা একা পড়ে এবং লেখার মাধ্যমে শেখে।
7. সরব পাঠের সুবিধা ও অসুবিধা কী কী?
সুবিধা:সহযোগিতা ও সামাজিক দক্ষতা উন্নত করে।
নতুন ধারণা গ্রহণের সুযোগ দেয়।
অসুবিধা:
কিছু শিক্ষার্থী অংশগ্রহণে অস্বস্তি বোধ করতে পারে।
8. বাংলা বানান ভুলের প্রধান কারণগুলি কী?
বাংলা বানান ভুলের প্রধান কারণগুলি হল:শিক্ষার অভাব: সঠিক বানান সম্পর্কে জ্ঞান না থাকা।
শ্রবণগত সমস্যা: শব্দের সঠিক উচ্চারণ না শুনে বানান লেখা।
মনোযোগের অভাব: লেখার সময় মনোযোগের অভাব।
9. বানান ভুলের প্রতিকার হিসেবে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে?
বানান ভুলের প্রতিকার হিসেবে পদক্ষেপগুলি হল:নিয়মিত অনুশীলন: বানান অনুশীলন করানো।
শ্রবণ ও উচ্চারণের অনুশীলন: সঠিক উচ্চারণ শেখানো।
ফিডব্যাক: লেখার উপর নিয়মিত ফিডব্যাক দেওয়া।
10. বাংলা ব্যাকরণ কাকে বলে? এর উদ্দেশ্য কী?
বাংলা ব্যাকরণ হল ভাষার নিয়মাবলী যা শব্দ, বাক্য এবং তাদের ব্যবহারকে নিয়ন্ত্রণ করে। এর উদ্দেশ্য হল ভাষার সঠিক ব্যবহার শেখানো এবং বাক্য গঠন করা।
11. ব্যাকরণ শিক্ষাদানের প্রয়োজনীয়তা কী?
ব্যাকরণ শিক্ষাদানের প্রয়োজনীয়তা হল:শিক্ষার ভিত্তি: ভাষার ভিত্তি তৈরি করে।
সামাজিক দক্ষতা: যোগাযোগে দক্ষতা অর্জন।
শিক্ষাগত সফলতা: পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জনে সহায়ক।
12. ব্যাকরণ পদ্ধতিকে আকর্ষণীয় করার জন্য কোন পদ্ধতি বেছে নেবেন?
আমি সংলাপ পদ্ধতি বেছে নেব। এটি শিক্ষার্থীদের সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে এবং বাস্তব জীবনের উদাহরণ ব্যবহার করতে সাহায্য করে।
13. সংলাপ পদ্ধতির বৈশিষ্ট্যগুলি কী কী?
সংলাপ পদ্ধতির বৈশিষ্ট্যগুলি হল:অ্যাক্টিভ লার্নিং: শিক্ষার্থীরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে।
বাস্তব জীবনের উদাহরণ: বিষয়টিকে প্রাসঙ্গিক করে তোলে।
সামাজিক মিথস্ক্রিয়া: যোগাযোগের দক্ষতা উন্নত করে।
14. ব্যাকরণ শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে প্রধান সমস্যাগুলি কী কী?
প্রধান সমস্যাগুলি হল:শিক্ষার্থীদের আগ্রহের অভাব: ব্যাকরণকে একঘেয়ে মনে করা।
জটিলতা: নিয়মগুলি বোঝা কঠিন।
অভিজ্ঞ শিক্ষকের অভাব: সঠিকভাবে শেখানোর অভাব।
15. অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন কী? এর উদ্দেশ্য কী?
অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন হল শিক্ষার্থীদের শেখার প্রক্রিয়া মূল্যায়নের জন্য শিক্ষকের দ্বারা পরিচালিত মূল্যায়ন। এর উদ্দেশ্য হল শিক্ষার্থীদের উন্নতি পর্যবেক্ষণ করা।
16. বহু মূল্যায়ন কী? এর সুবিধা কী?
বহু মূল্যায়ন হল বিভিন্ন ধরনের মূল্যায়ন পদ্ধতি। এর সুবিধা হল শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দিক থেকে মূল্যায়ন করা এবং তাদের শক্তি ও দুর্বলতা চিহ্নিত করা।
17. অভ্যন্তরীণ ও বহু মূল্যায়নের মধ্যে পার্থক্য কী?
অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন ক্লাসরুমের মধ্যে ঘটে, যেখানে শিক্ষক সরাসরি শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করেন। বহু মূল্যায়ন বিভিন্ন পদ্ধতির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করে।
18. মাতৃ ভাষা শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সামাজিক দক্ষতা কিভাবে উন্নত হয়?
মাতৃ ভাষা শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের ভাবনা ও অনুভূতি প্রকাশ করতে সক্ষম হয়, যা তাদের সামাজিক দক্ষতা উন্নত করে। তারা একে অপরের সাথে যোগাযোগ করে এবং সহযোগিতা করে।
19. হাতের লেখা শিক্ষার সময় শিক্ষার্থীদের মোটর দক্ষতা কিভাবে উন্নত হয়?
হাতের লেখা শেখার মাধ্যমে শিশুদের হাতের পেশী এবং সমন্বয় উন্নত হয়। এটি তাদের মোটর দক্ষতা এবং লেখার দক্ষতা বৃদ্ধি করে।
20. ভাষা শিক্ষায় ভিডিও ও অডিও ক্লিপের ব্যবহার কীভাবে কার্যকরী হতে পারে?
ভিডিও ও অডিও ক্লিপ ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা ভাষার সঠিক উচ্চারণ এবংintonation শিখতে পারে। এটি তাদের শ্রবণ দক্ষতা বাড়ায় এবং বাস্তব জীবনের পরিস্থিতি উপস্থাপন করে।

Long Questions
১. হাতের লেখা শিক্ষা দানের বিকাশ সমূহ আলোচনা করো।
হাতের লেখা শিক্ষা দানের বিকাশে কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক রয়েছে:
শিক্ষার প্রাথমিক স্তর: হাতের লেখা শিক্ষা সাধারণত প্রাথমিক স্তরে শুরু হয়। শিশুদের হাতের লেখা শেখানোর জন্য সঠিক পদ্ধতি এবং উপকরণ ব্যবহার করা হয়, যেমন বিশেষ পেন্সিল এবং কাগজ।
মোটর দক্ষতা: হাতের লেখা শেখার মাধ্যমে শিশুদের মোটর দক্ষতা উন্নত হয়। এটি তাদের হাতের পেশী এবং সমন্বয় উন্নত করতে সাহায্য করে।
সৃজনশীলতা: হাতের লেখা শেখার সময় শিশুদের সৃজনশীলতা বাড়ে। তারা বিভিন্ন স্টাইল এবং ফন্ট ব্যবহার করে তাদের লেখাকে আকর্ষণীয় করে তোলে।
শিক্ষার প্রভাব: হাতের লেখা শিক্ষার মাধ্যমে শিশুদের ভাষা এবং লেখার প্রতি আগ্রহ বাড়ে। এটি তাদের লেখার দক্ষতা এবং আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে।
প্রযুক্তির প্রভাব: আধুনিক প্রযুক্তির কারণে হাতের লেখা শিক্ষা কিছুটা পরিবর্তিত হয়েছে। ডিজিটাল লেখার পদ্ধতি এবং ট্যাবলেটের ব্যবহার বাড়ছে, তবে হাতে লেখা এখনও গুরুত্বপূর্ণ।
সামাজিক দক্ষতা: হাতের লেখা শেখার মাধ্যমে শিশুদের সামাজিক দক্ষতা উন্নত হয়। তারা একে অপরের সাথে সহযোগিতা করে এবং লেখার মাধ্যমে যোগাযোগ করে।
মনোযোগ এবং ধৈর্য: হাতের লেখা শেখার সময় শিশুদের মনোযোগ এবং ধৈর্য বৃদ্ধি পায়। এটি তাদের শেখার প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর করে তোলে।
২. ভাষা শিক্ষার সহায়ক উপকরণ গুলি কী? এদের ব্যবহারিক ও প্রয়োগিক দিক গুলি লিখুন।
ভাষা শিক্ষার সহায়ক উপকরণগুলি হল:

ছবি ও চার্ট: ছবি এবং চার্ট ভাষা শিক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এগুলি শিক্ষার্থীদের জন্য দৃশ্যমান উপস্থাপনা প্রদান করে, যা তাদের শেখার প্রক্রিয়াকে সহজ করে।

ব্যবহারিক দিক: ছবি ও চার্ট ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা নতুন শব্দ এবং ধারণাগুলি দ্রুত শিখতে পারে। এটি তাদের মনে রাখার ক্ষমতাও বাড়ায়।
প্রয়োগিক দিক: শিক্ষকেরা ছবি ও চার্ট ব্যবহার করে পাঠ্যবিষয়কে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে পারেন। এটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনা এবং অংশগ্রহণ বাড়ায়।

ভিডিও ও অডিও ক্লিপ: ভিডিও এবং অডিও ক্লিপ ভাষা শিক্ষার জন্য অত্যন্ত কার্যকর। এগুলি শিক্ষার্থীদের শ্রবণ এবং বোঝার দক্ষতা উন্নত করে।

ব্যবহারিক দিক: ভিডিও এবং অডিও ক্লিপ ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা ভাষার সঠিক উচ্চারণ এবংintonation শিখতে পারে। এটি তাদের শ্রবণ দক্ষতা বাড়ায়।
প্রয়োগিক দিক: শিক্ষকেরা ভিডিও এবং অডিও ক্লিপ ব্যবহার করে বাস্তব জীবনের পরিস্থিতি উপস্থাপন করতে পারেন, যা শিক্ষার্থীদের ভাষার ব্যবহার বুঝতে সাহায্য করে।
৩. প্রাথমিক স্তরে মাতৃ ভাষার উদ্দেশ্য ও প্রয়োজনীয়তা
প্রাথমিক স্তরে মাতৃ ভাষার উদ্দেশ্য ও প্রয়োজনীয়তা হল:
ভাষার ভিত্তি: মাতৃ ভাষা শিক্ষার মাধ্যমে শিশুদের ভাষার ভিত্তি তৈরি হয়। এটি তাদের মৌলিক ভাষা দক্ষতা উন্নত করতে সাহায্য করে।
সাংস্কৃতিক পরিচয়: মাতৃ ভাষা শিক্ষার মাধ্যমে শিশুদের সাংস্কৃতিক পরিচয় গড়ে ওঠে। তারা তাদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং মূল্যবোধ সম্পর্কে জানতে পারে।
শিক্ষার প্রভাব: মাতৃ ভাষায় শিক্ষা গ্রহণ করলে শিশুদের অন্যান্য বিষয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়ে। এটি তাদের শিখন প্রক্রিয়াকে সহজ করে।
সামাজিক দক্ষতা: মাতৃ ভাষা শিক্ষার মাধ্যমে শিশুদের সামাজিক দক্ষতা উন্নত হয়। তারা নিজেদের ভাবনা এবং অনুভূতি প্রকাশ করতে সক্ষম হয়।
আবেগগত উন্নয়ন: মাতৃ ভাষা শিক্ষার মাধ্যমে শিশুদের আবেগগত উন্নয়ন ঘটে। তারা নিজেদের অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারে।
শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা: মাতৃ ভাষায় শিক্ষা গ্রহণ করলে শিশুদের শিখন প্রক্রিয়া আরও কার্যকর হয়। এটি তাদের আত্মবিশ্বাস এবং ভাষার প্রতি আগ্রহ বাড়ায়।
৪. বাংলা ভাষা শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে বর্ণানুক্রমিক ও শব্দআনুক্রমিক পদ্ধতির উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব আলোচনা করো।
বাংলা ভাষা শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে বর্ণানুক্রমিক ও শব্দআনুক্রমিক পদ্ধতির উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব হল:

বর্ণানুক্রমিক পদ্ধতি: এই পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের প্রথমে বর্ণগুলি শেখানো হয়। এটি তাদের মৌলিক ভাষা দক্ষতা গড়ে তোলে।

উদ্দেশ্য: বর্ণানুক্রমিক পদ্ধতির উদ্দেশ্য হল শিক্ষার্থীদের বর্ণের সঠিক উচ্চারণ এবং লেখার দক্ষতা প্রদান করা।
গুরুত্ব: এটি শিক্ষার্থীদের শব্দ গঠন এবং বানান শেখার জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করে।

শব্দআনুক্রমিক পদ্ধতি: এই পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের শব্দ এবং বাক্য গঠন শেখানো হয়। এটি তাদের ভাষার ব্যবহার এবং যোগাযোগের দক্ষতা উন্নত করে।

উদ্দেশ্য: শব্দআনুক্রমিক পদ্ধতির উদ্দেশ্য হল শিক্ষার্থীদের শব্দের অর্থ এবং ব্যবহার শেখানো।
গুরুত্ব: এটি শিক্ষার্থীদের ভাষার প্রয়োগে দক্ষতা বৃদ্ধি করে এবং তাদের যোগাযোগের ক্ষমতা উন্নত করে।
৫. সরব পাঠ ও নিরব পাঠ কাকে বলে? সুবিধা ও অসুবিধা লেখো।

সরব পাঠ: সরব পাঠ হল একটি পাঠ পদ্ধতি যেখানে শিক্ষার্থীরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে। তারা আলোচনা করে, প্রশ্ন করে এবং একে অপরের সাথে যোগাযোগ করে।

সুবিধা: এটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে সহযোগিতা এবং সামাজিক দক্ষতা উন্নত করে। তারা একে অপরের মতামত শেয়ার করে এবং নতুন ধারণা গ্রহণ করে।
অসুবিধা: কিছু শিক্ষার্থী এই পদ্ধতিতে অংশগ্রহণ করতে অস্বস্তি বোধ করতে পারে, যা তাদের শেখার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।

নিরব পাঠ: নিরব পাঠ হল একটি পাঠ পদ্ধতি যেখানে শিক্ষার্থীরা একা পড়ে এবং লেখার মাধ্যমে শেখে। এটি সাধারণত পাঠ্যবইয়ের মাধ্যমে হয়।

সুবিধা: এটি শিক্ষার্থীদের মনোযোগ এবং ধৈর্য বৃদ্ধি করে। তারা নিজেদের গতিতে শিখতে পারে এবং গভীরভাবে চিন্তা করতে পারে।
অসুবিধা: এটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে সামাজিক মিথস্ক্রিয়া কমিয়ে দেয় এবং তাদের সহযোগিতার সুযোগ সীমিত করে।
৬. বাংলা বানান ভুলের কারণ ও প্রতিকার সম্মন্ধে আলোচনা করো? আপনার অভিমত ব্যাখ্যা করুন।

কারণ: বাংলা বানান ভুলের প্রধান কারণগুলি হল:

শিক্ষার অভাব: অনেক শিক্ষার্থী বাংলা বানান সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান না থাকার কারণে ভুল করে।
শ্রবণগত সমস্যা: কিছু শিক্ষার্থী শব্দের সঠিক উচ্চারণ না শুনে বানান লেখে, যা ভুল বানানে পরিণত হয়।
মনোযোগের অভাব: লেখার সময় মনোযোগের অভাবও বানান ভুলের একটি কারণ।

প্রতিকার: বানান ভুলের প্রতিকার হিসেবে কিছু পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে:

নিয়মিত অনুশীলন: শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বানান অনুশীলন করানো উচিত। বানান খেলার মাধ্যমে শেখানো যেতে পারে।
শ্রবণ ও উচ্চারণের অনুশীলন: শিক্ষার্থীদের সঠিক উচ্চারণ শেখানো এবং শ্রবণ দক্ষতা উন্নত করা উচিত।
ফিডব্যাক: শিক্ষকদের উচিত শিক্ষার্থীদের লেখার উপর নিয়মিত ফিডব্যাক দেওয়া, যাতে তারা তাদের ভুলগুলি বুঝতে পারে।
অভিমত: বাংলা বানান ভুলের সমস্যা সমাধানে শিক্ষকদের এবং অভিভাবকদের সক্রিয় ভূমিকা থাকা উচিত। সঠিক শিক্ষা এবং অনুশীলনের মাধ্যমে এই সমস্যা কমানো সম্ভব।
৭. বাংলা ব্যাকরণ কাকে বলে? ব্যাকরণ শিক্ষাদানের উদ্দেশ্য ও প্রয়োজনীতা আলোচনা করো।
বাংলা ব্যাকরণ: বাংলা ব্যাকরণ হল ভাষার নিয়মাবলী এবং কাঠামো যা শব্দ, বাক্য এবং তাদের ব্যবহারকে নিয়ন্ত্রণ করে। এটি ভাষার মৌলিক উপাদান এবং এর সঠিক ব্যবহার শেখায়।

ব্যাকরণ শিক্ষাদানের উদ্দেশ্য:

ভাষার সঠিক ব্যবহার: ব্যাকরণ শেখানোর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ভাষার সঠিক ব্যবহার শিখে। এটি তাদের লেখার এবং কথোপকথনের দক্ষতা উন্নত করে।
বাক্য গঠন: ব্যাকরণ শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সঠিক বাক্য গঠন করতে সক্ষম হয়। এটি তাদের চিন্তাভাবনা প্রকাশের জন্য একটি শক্তিশালী মাধ্যম।

ব্যাকরণ শিক্ষাদানের প্রয়োজনীয়তা:

শিক্ষার ভিত্তি: ব্যাকরণ ভাষার ভিত্তি তৈরি করে। এটি অন্যান্য বিষয়ের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ, যেমন সাহিত্য এবং ভাষা বিশ্লেষণ।
সামাজিক দক্ষতা: সঠিক ব্যাকরণ শেখার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগে দক্ষতা অর্জন করে। এটি তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায়।
শিক্ষাগত সফলতা: ব্যাকরণের সঠিক জ্ঞান শিক্ষার্থীদের শৈল্পিক এবং একাডেমিক সফলতায় সহায়ক হয়। এটি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জনে সাহায্য করে।
৮. ব্যাকরণ পদ্ধতিকে আকর্ষণীয় করার জন্য আপনি কোন পদ্ধতি আপনি বেছে নিবেন সেই পদ্ধতির বৈশিষ্ট্য গুলি লিখুন।

সংলাপ পদ্ধতি: আমি সংলাপ পদ্ধতি বেছে নেব। এই পদ্ধতির বৈশিষ্ট্যগুলি হল:

অ্যাক্টিভ লার্নিং: শিক্ষার্থীরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে। তারা একে অপরের সাথে আলোচনা করে এবং প্রশ্ন করে।
বাস্তব জীবনের উদাহরণ: এই পদ্ধতিতে বাস্তব জীবনের উদাহরণ ব্যবহার করা হয়, যা শিক্ষার্থীদের জন্য বিষয়টিকে আরও প্রাসঙ্গিক করে তোলে।
সামাজিক মিথস্ক্রিয়া: শিক্ষার্থীরা একে অপরের সাথে যোগাযোগ করে, যা তাদের সামাজিক দক্ষতা উন্নত করে।
সৃজনশীলতা: শিক্ষার্থীরা তাদের সৃজনশীলতা প্রকাশ করতে পারে। তারা বিভিন্ন পরিস্থিতিতে ব্যাকরণের নিয়ম প্রয়োগ করে।
ফিডব্যাক: শিক্ষকেরা শিক্ষার্থীদের ফিডব্যাক প্রদান করেন, যা তাদের ভুলগুলি বুঝতে এবং সংশোধন করতে সাহায্য করে।
৯. ব্যাকরণ শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে যে সকল সমস্যা দেখা যায় তা আলোচনা করো?
শিক্ষার্থীদের আগ্রহের অভাব: অনেক শিক্ষার্থী ব্যাকরণকে একঘেয়ে মনে করে, যা তাদের শেখার আগ্রহ কমিয়ে দেয়।
জটিলতা: ব্যাকরণের নিয়মগুলি অনেক সময় জটিল হতে পারে, যা শিক্ষার্থীদের জন্য বোঝা কঠিন করে তোলে।
অভিজ্ঞ শিক্ষকের অভাব: অনেক সময় অভিজ্ঞ শিক্ষক না থাকায় সঠিকভাবে ব্যাকরণ শেখানো সম্ভব হয় না।
প্রয়োগের অভাব: শিক্ষার্থীরা ব্যাকরণের নিয়মগুলি শিখলেও সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে পারে না, যা তাদের লেখার এবং কথোপকথনের দক্ষতা কমিয়ে দেয়।
সামাজিক চাপ: কিছু শিক্ষার্থী পরীক্ষার চাপের কারণে ব্যাকরণ শেখার সময় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে, যা তাদের শেখার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে।
১০. অভ্যন্তরীণ ও বহু মূল্যায়ন বলতে কী বোঝ এদের মধ্য পার্থক্য বিশ্লেষণ করুন?
অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন: অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন হল শিক্ষার্থীদের শেখার প্রক্রিয়া এবং তাদের দক্ষতা মূল্যায়নের জন্য শিক্ষকের দ্বারা পরিচালিত মূল্যায়ন। এটি সাধারণত ক্লাসরুমের মধ্যে ঘটে এবং শিক্ষকের ফিডব্যাকের মাধ্যমে হয়।
বহু মূল্যায়ন: বহু মূল্যায়ন হল বিভিন্ন ধরনের মূল্যায়ন পদ্ধতি, যেমন পরীক্ষার ফলাফল, প্রকল্প, এবং কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন। এটি শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দিক থেকে মূল্যায়ন করে।

পার্থক্য:

অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন সাধারণত ক্লাসরুমের মধ্যে ঘটে, যেখানে শিক্ষক সরাসরি শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করেন। অন্যদিকে, বহু মূল্যায়ন বিভিন্ন পদ্ধতির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করে।
অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন শিক্ষকের ফিডব্যাকের উপর নির্ভর করে, যেখানে বহু মূল্যায়ন বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে।
এইভাবে, অভ্যন্তরীণ এবং বহু মূল্যায়ন উভয়ই শিক্ষার্থীদের শেখার প্রক্রিয়া মূল্যায়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তবে তাদের পদ্ধতি এবং উদ্দেশ্য ভিন্ন।

Post a Comment

0Comments
Post a Comment (0)
google.com, pub-9854479782031006, DIRECT, f08c47fec0942fa0